প্রিয় লেখক

প্রিয় লেখক
আজ পর্যন্ত ২জন লেখক পেয়েছি যাদের যতগুলো বই পড়েছি প্রতিটাই ভালো লেগেছে- ভিক্টর হুগো আর চার্লস ডিকেন্স।
তবুও চার্লস ডিকেন্স প্রিয় লেখকের তালিকায় প্রথম ৩ এ থাকবেন না। ভিক্টর হুগো ২য় প্রিয় লেখক। আমার পড়া সেরা ৩টা উপন্যাসের ২টাই হুগোর লেখা- লা মিজারেবল, হাঞ্চব্যাক অব নটরডেম।
প্রিয় লেখকের কথা এলে আমি সবসময় একবাক্যে লিও টলস্টয়ের নাম বলি। তার সেরা ২টা কাজ ধরা হয় ওয়ার অ্যান্ড পিস, আনা কারেনিনা। এরমধ্যে আমার ওয়ার অ্যান্ড পিস পড়েছি। মোটামুটি লেগেছে। খুব পছন্দের বই না। আনা কারেনিনা এখনও পড়নি; পড়তে হবে।
তাহলে টলস্টয় আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক হলেন কীভাবে! এর উত্তর হচ্ছে ছোটোগল্প ও নভেলা। তার প্রচুর ছোটোগল্প আমার খুব পছন্দের। এরমধ্যে ‘হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ আ ম্যান নিড’ সবচেয়ে প্রিয় গল্প। কত প্রিয় উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। এ গল্পটা স্কুলে থাকতে পড়েছিলাম। এতই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে পরের কয়েক বছরে প্রায় ২০-৩০ জন মানুষকে গল্পটা আমি নিজে শুনিয়েছি। এরমধ্যে অনেক বাচ্চাও আছে।
এই টলস্টয় কখনও নোবেল পুরস্কার পাননি। নমিনেশন পেয়েছিলেন কয়েকবার। অথচ ১৯০১ সালে তাকে দিয়েই সাহিত্যে নোবেল শুরু করা উচিত ছিল। এটা নিয়ে অনেক মানুষের মতো আমিও নোবেল কমিটির প্রতি নাখোশ।
যদিও ফেসবুকে আমি ছোটোগল্প লিখি না, কিন্তু লেখালেখি নিয়ে কোনো একটা ব্যাপারে যদি কনফিডেন্ট থাকি সেটা ছোটোগল্প লেখা নিয়েই। ফেসবুকে আসার আগে নিয়মিত গল্প লিখতাম। জীবনে সবসময় চেষ্টা করেছি অন্য কারো লেখার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে। কেউ বলতেও পারবে না আমার লেখায় অমুকের স্পষ্ট কোনো ছাপ আছে। কিন্তু নিজে টের পাই টলস্টয়ের প্রভাব পড়ে যায় মাঝে মাঝে।
টলস্টয় ও ভিক্টর হুগোর পর আমার ৩য় প্রিয় লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাঝে মাঝে খুব গর্ব হয় বাংলা ভাষায় তার মতো একজন লেখক পেয়েছি।
Posted in Uncategorized
Write a comment