প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্নের উত্তর
যুগের পর যুগ আমাদের লেখাপড়ার সিস্টেম দুর্বল হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ মাথা খাটিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে শেখে নি। প্রশ্ন কী করা হয়েছে না বুঝেই ফাও প্যাঁচাল শুরু করবে, যার কোনোটাই উত্তরের সাথে সম্পর্কিত না।
ধরুন আমি একটা প্রশ্ন করলাম, “ডিম আগে নাকি মুরগি আগে?”
কমেন্ট ১- ভাই, আজকে কি মুরগি দিয়ে ভাত খেয়েছেন?
কমেন্ট ২- ডিমটা কি ফার্মের মুরগির নাকি দেশি?
কমেন্ট ৩- কী ঘোড়ার ডিমের কথা বলেন!
কমেন্ট ৪- কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি নাস্তিক।
কমেন্ট ৫- শুনলাম মুরগির দাম আবার বেড়েছে। এই সরকার মানুষকে মুরগি খেতে দেবে না।
কমেন্ট ৬- আর্জেন্টিনা নাকি আজকে এক হালি খেয়েছে!
কমেন্ট ৭- এই পুরান প্রশ্ন আর কতদিন? (উত্তর কিন্তু নিজেই জানে না।)
কমেন্ট ৮- একটা আগেই হলেই তো হয়। কোনটা আগে সেটা দিয়ে আপনার কাজ কী?
কেউ কেউ থাকে অপ্রাসঙ্গিক হলেও ভালো তথ্য দেয়। এরকম দুই-একটা কথা শুনে মেজাজ ঠিক হয়।
কমেন্ট ৯- গবেষণা করে দেখা গেছে ফার্মের মুরগিতে নাকি ক্রোমিয়াম থাকে। চামড়ার ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট জিনিস এদের খাওয়ানো হয়। তাই ফার্মের মুরগি আর ডিম খাওয়া বাদ দিয়েছি।
কমেন্ট ১০- পত্রিকায় পড়লাম বড় বড় রেস্টুরেন্টে মরা মুরগি খাওয়াচ্ছে।
কমেন্ট ১১- মুরগির ডিমে ১৫০ ক্যালরি, হাঁসের ডিমে ১৬০ ক্যালরি। আমি তাই হাঁসের ডিম খাই।
সবাই তো আর এক না। কেউ কেউ থাকে যারা বইপড়ুয়া। জীবনে এক-দুই হাজার বই পড়েছে। তারা আসলেই যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করবে। বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স দেবে।
এসব মানুষ আছে বলেই সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে।
Posted in Uncategorized
Write a comment