অসুখ কাটিয়ে ওঠার ব্যাপারে আমার রেকর্ড মারাত্মক ভালো।

অসুখ কাটিয়ে ওঠার ব্যাপারে আমার রেকর্ড মারাত্মক ভালো।
অসুখ কাটিয়ে ওঠার ব্যাপারে আমার রেকর্ড মারাত্মক ভালো।
৭ বছর বয়সে টনসিল ফুলে খারাপ অবস্থা। কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না। ডাক্তার আল্টিমেটাম দিলো অমুক দিনের মধ্যে যদি অবস্থা ভালো না হয় তাহলে অপারেশন করাবে। আম্মা মানত-টানত করে একাকার অবস্থা। ডেডলাইনের ঠিক ২-৩ দিন আগে আমি সুস্থ।
আমার নিয়মিত পেটব্যথা হতো। বছরের পর বছর এই সমস্যা। বলা নেই কওয়া নেই হুট করে ব্যথা চলে আসে। আমি বিছানায় গড়াগড়ি করতে থাকি। ডাক্তার সন্দেহ করলো পেটে আলসার হয়েছে। শাকসবজি খাওয়া বাড়াতে বললো। হয়তো অপারেশন লাগবে। খুব তিতা একটা ওষুধ দিলো খেতে। টানা ১ মাস খাওয়ার পর পেটব্যথা আর নেই। সারা জীবনে আর এই সমস্যা ফিরে আসেনি।
ক্লাস সিক্স থেকে প্রচণ্ড মাথাব্যথা। মূলত মাইগ্রেনের ব্যথা। ব্যথা শুরু হওয়ার আগে পুরো শরীরের এক পাশ অবশের মতো হয়ে যেত। মাথা এলোমেলো লাগত। শব্দ এলোমেলো লাগত। শীত না কি তিশ এমন জিনিসও সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম না কথা বলতে গেলে। চশমাও নিতে হলো।
১ বছর পর থেকে মাথাব্যথা নেই আর। চশমার পাওয়ার কমতে কমতে শূন্য হয়ে গেল। মূলত চেহারার সাথে মিশে যাওয়ায় এখন জিরো পাওয়ারের চশমা পরি। নইলে আমাকে কারো কারো চিনতে কষ্ট হত।
স্কিনের সমস্যা নিয়ে ভুগলাম প্রায় ১ বছর। তখন মাঝে মাঝে নিজেকে দেখলে মনে হতো এটা মানুষের চামড়া না। অন্য কোনো প্রাণীর চামড়া। ৩ মাস ওষুধ খেয়ে সেটাও চিরতরে দূর হয়ে গেল।
সবচেয়ে বড়ো যে জিনিসটা থেকে রিকভার করেছি তা হলো হেপাটাইটিস বি। ২০০৪ সালে প্রথম ধরা পড়ে। ট্রিটমেন্ট শুরু করে থেমে যায়। আবার ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ট্রিটমেন্ট হয়। এরপর শুনি আমার আর ট্রিটমেন্ট লাগবে না। এখন যেভাবে আছে সেভাবে সারা জীবন থাকলেও সমস্যা নেই। শুধু লম্বা সময় পর পর টেস্ট করে দেখতে হবে নতুন করে কিছু হলো কিনা।
Posted in Uncategorized
Write a comment